সর্বশেষ সংবাদ

বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির তিনটি ইউনিটকে বিমান বাহিনী পতাকা প্রদান

ঢাকা, ১৫ মে ২০১৮ ঃ- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল আবু এসরার, বিবিপি, এনডিসি, এসিএসসি মঙ্গলবার (১৫-০৫-২০১৮) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে অবস্থিত ৫ নং স্কোয়াড্রন, ৮ নং স্কোয়াড্রন এবং ৭১ নং স্কোয়াড্রন কে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পতাকা প্রদান করেন।

বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু এর প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছলে বিমান বাহিনী প্রধান কে স্বাগত জানান উক্ত ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক মোঃ শফিকুল আলম, বিএসপি, এনডিসি, এফএডব্লিউসি, পিএসসি।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম ফাইটার স্কোয়াড্রন হিসেবে ৫ নং স্কোয়াড্রন এর জন্ম হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা অর্জনের পরক্ষণে। বাংলাদেশের প্রথম এয়ার ডিফেন্স ফাইটার স্কোয়াড্রন হিসেবে ৫ নং স্কোয়াড্রন ‘সদা সর্বদা প্রস্তুত’ এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত। আকাশ প্রতিরক্ষা এবং অফেন্সিভ কাউন্টার এয়ার অপারেশন এই স্কোয়াড্রনের মূখ্য ভূমিকা।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অর্জিত প্রিয় বাংলাদেশের আকাশসীমা মুক্ত রাখার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ১৯৭৬ সালে ৮ নং স্কোয়াড্রন তার যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অপারেশনাল ক্ষমতা বৃদ্ধি আর আধুনিকায়নের প্রয়াসেই এই স্কোয়াড্রন তার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আধুনিকায়নের জন্য ২০০০ সালে অত্যাধুনিক চতুর্থ প্রজন্মের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান এই স্কোয়াড্রনে সংযোজন করা হয়।

“Pilot’s vision it’s controller’s mission”-এই আদর্শবাণীতে উদ্বুদ্ধ হয়ে যুদ্ধকালীন সময়ে শত্রু যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ডিফেন্স ওয়েপন কন্ট্রোলারগণ শান্তিকালীন সময়ে অসংখ্য গ্রাউন্ড কন্ট্রোল ইন্টারসেপশন সম্পন্ন করে আসছে। আর এই কার্যক্রম যথাযথভাবে এবং অত্যান্ত সূচারূভাবে পালন করতে ৭১ নং স্কোয়াড্রন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গত ০৫ বছরের সময়কালে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সকল র‌্যাডার ইউনিটের মধ্যে ৭১ নং স্কোয়াড্রন সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল ইন্টারসেপশন সফলভাবে সম্পাদন করেছে।

বিমান বাহিনী পতাকা প্রদানকালে বিমান বাহিনী প্রধান বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন উইং কমান্ডার মোঃ মনিরুজ্জামান হাওলাদার, পিএসসি। বিমান বাহিনী প্রধান বিমান বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত ভাষণে বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিমান বাহিনী সদস্যদের সাহসিকতাপূর্ণ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে। বিমান বাহিনীর সম্মানের প্রতিক হিসেবে প্রদানকৃত কালার এর মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে তিনি সকলকে সচেষ্ট থাকতে বলেন।