সর্বশেষ সংবাদ

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং শান্তিকালীন পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৭ ঃ মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত ২১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীগণকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২১-১১-২০১৭) ঢাকার বনানীস্থ নৌ সদর কমপ্লেক্সে সাগরিকা হলে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর এই সকল খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীগণের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন এর পরিবারসহ পাঁচজন বীর উত্তম, সাতজন বীর বিক্রম, আটজন বীর প্রতীক মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তান এবং পরিবারবর্গের সদস্যগণসহ নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ ও বিপুল সংখ্যক নৌসদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন, ইআরএ-১ এর কন্যা মিসেস নূরজাহান বেগম সম্মাননা গ্রহণ করেন। এছাড়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমডোর আব্দুল ওয়াহেদ চৌধুরী, বিএন (অবঃ) বীর উত্তম, বীর বিক্রম; লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোঃ জালাল উদ্দিন, বিএন (অবঃ) বীর উত্তম ও মরহুম আফজাল মিয়া, ইআরএ-১ (অবঃ) বীর উত্তম এর স্ত্রী মিসেস মরিয়ম আফজালসহ উপস্থিত অন্যান্য খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীগণের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

পরে, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ নৌবাহিনীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি সরুপ পাঁচ জন কর্মকর্তাকে শান্তিকালীন পদক প্রদান করেন। উল্লেখ্য, এ বৎসর নৌবাহিনীর ২৩ জন কর্মকর্তা ও ৬ জন নাবিকসহ মোট ২৯ জন নৌ সদস্য এ পদক অর্জন করে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নৌপ্রধান মুক্তিকামী বাঙালী জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীনতা যুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্যাগকারী লাখো শহীদদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স¥রণ করেন। তিনি বলেন, একটি কার্যকর ও পেশাদার নৌবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে, নৌবাহিনীতে সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেইসাথে নৌবাহিনীকে আরও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে সংযোজিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম। তিনি নৌবাহিনী তথা দেশমাতৃকার গৌরব সমুন্নত রাখতে সকল নৌসদস্যকে পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে কাজ করার আহবান জানান।